গুগল ক্রোম আপনার কথা রেকর্ড করে রাখছে। না পড়লে পস্তাবেন।


ক্রোমের ভয়েস-রিকগনিশন অ্যাপ ব্যাবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ । ভয়েস-রিকগনিশন অ্যাপ চালু করা থাকলে আপনার অজান্তেই আপনার কথা শুনে নিতে পারে অন্য কেউ। ট্যাল অ্যাটার নামক একজন ডেভেলপার সম্প্রতি গুগলের জনপ্রিয় ব্রাউজার ক্রোমের এই ত্রুটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
Continue reading

ফেনী নদী দখলের পাঁয়তারা ভারতের


ফেনী নদীতে পাইপ বসিয়ে পানি তুলে নিচ্ছে ভারত
(২ নভেম্বর ২০১২) কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই ফেনী নদী দখলের অপচেষ্টা করছে ভারত। নদীটির উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশ হলেও ইতোমধ্যে ভারত ফেনী নদীতে সেতু ও স্থলবন্দর নির্মাণ করছে। বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

জানা যায়, তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যার সুরাহা না করেই ফেনী নদীতে সেতু তৈরির ব্যাপারে ভারতকে অনুরোধ জানাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি এ সম্পর্কিত একটি চিঠি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। চিঠিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ফেনী নদীতে সেতু ও ভারতীয় অংশে সংযোগ সড়কসহ অবকাঠামো নির্মাণে ভারতীয় কর্তৃপকে অনুরোধ জানাতে বলা হয়।

সূত্র জানায়, খাগড়াছড়ি সীমান্তে ফেনী নদীর অংশ বাংলাদেশে পড়লেও এ নদীতে সেতু করার ব্যাপারে ভারতই প্রথম প্রস্তাব দেয়। ফেনী নদীতে সেতু হলে বাংলাদেশের তেগামুখ ও রামগড় স্থলবন্দরের সাথে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে। দণি-পূর্ব এশিয়ার সাথে সহজে যোগাযোগ গড়ে তুলতে এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের সুবিধা পেতে বহু দিন ধরেই ফেনী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে ত্রিপুরা দাবি করে আসছিল। এটি হলে সাবরুম তেগামুখ থেকে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বন্দরের দূরত্ব হবে মাত্র ৭২ কিলোমিটার। ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলো চট্টগ্রাম বন্দরের সুবিধা নিতে পারবে। এ ল্েয ২০১০ সালের জানুয়ারিতে নয়াদিল্লিতে ঘোষিত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ইশতেহার অনুযায়ী তেগামুখ ও রামগড় স্থলবন্দর চালুর ঘোষণা আসে। আর এ স্থলবন্দর কার্যকর করতে ফেনী নদীতে সেতু করার প্রস্তাব দেয় ভারত। সর্বশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কথা ছিল। তবে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়ায় ফেনী নদীর বিষয়টি অনালোচিত থেকে যায়। তিস্তার পানি চুক্তির ব্যাপারে কোনো সুরাহা না হলেও ফেনী নদীতে সেতু করতে ভারতকে অনুরোধ জানানোর জন্য চিঠি লিখেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র সচিবকে উদ্দেশ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফারহানা ইসলাম স্বারিত ওই চিঠিটি সম্প্রতি (৯ জুলাই) পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, রামগড়কে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া অবকাঠামো নির্মাণের ল্েয একটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের অপোয় আছে। অপর দিকে রামগড়ের সাথে ভারতের কোনো সংযোগ সড়ক বা অবকাঠামো সুযোগ-সুবিধা নেই। রামগড় সীমান্তে ফেনী নদীতেও সেতু নেই। ভারতের সাথে এ বন্দর দিয়ে বাণিজ্য শুরু হলে সেতু নির্মাণ ও ভারতীয় অংশে সংযোগ সড়ক এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দরকার। স্থলবন্দর কার্যকর করতে ফেনী নদীতে সেতুসহ অবকাঠামো নির্মাণে ভারতীয় কর্তৃপকে অনুরোধ জানানোর জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়।

জানা গেছে, তেগামুখ ও রামগড় স্থলবন্দরের অপর পাশে ত্রিপুরা রাজ্য সরকার একটি আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট, শুল্ক অফিসসহ বন্দরের কয়েকটি প্রয়োজনীয় পাকা ভবন নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু করেছে। সাবরুম-আগরতলা-উদয়পুর সড়কসহ এ মহকুমার সাথে অন্য মহকুমা ও জেলার সড়কের উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সে দেশের সরকার। ১০০ বছর মেয়াদি সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় ৪০ কোটি রুপি। প্রায় ১৫০ মিটার দীর্ঘ এ সেতু এবং স্থলবন্দরের অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে ভারত ডিটেইলড প্রজেক্ট প্রতিবেদনও তৈরি করেছে।

সূত্র জানায়, গত জানুয়ারিতে ভারতের আগরতলা সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তেগামুখ ও রামগড় স্থলবন্দর চালুর সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এরই পরিপ্রেেিত ফেনী নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণে কারিগরি পরীার ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দেয় দেশ দু’টি। সীমান্তবর্তী সাবরুমে ফেনী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে ৪ মে দুই দেশ অনুমোদন দেয়ায় নির্মাণকাজ চূড়ান্ত করে ভারত।

৫ মে ভারতের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী জিতেন্দ্র চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এ সেতু নির্মাণ হলে ত্রিপুরাসহ ভারতের গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চল যেমন উপকৃত হবে; তেমনি উপকৃত হবে বাংলাদেশও। তবে তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যার সুরাহা না হওয়ায় নেয়া উদ্যোগ থমকে যায়। এরশাদ সরকারের সময় চট্টগ্রামের মিরসরাই, ফেনীর ছাগলনাইয়া, সোনাগাজীসহ কয়েকটি উপজেলাকে সেচের আওতায় আনতে ফেনী নদীতে বাস্তবায়ন করা হয় মুহুরী সেচ প্রকল্প। অথচ কোনো পানিচুক্তি ছাড়াই নদীর তলদেশে পাইপ বসিয়ে পানি সরিয়ে নিচ্ছে ভারত।

জাতীয় পার্টির লংমার্চ : ফেনী নদীর পানি রার দাবিতে মুহুরী প্রকল্প বাস্তবায়নকারী জাপা চেয়ারম্যান এরশাদের নেতৃত্বে ৫ মার্চ ঢাকা থেকে ফেনী অভিমুখে লংমার্চ হয়। লংমার্চ শেষে ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জনসভায় এরশাদ বলেন, জীবন দেবো তবু ফেনী নদীর পানি দেবো না। ফেনী নদীর অস্তিত্ব রায় সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।

আজো কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি : ফেনী নদী থেকে ভারতের পানি প্রত্যাহার ও নদীর সীমানা অুণœ রাখতে এখনো কোনো সরকারিপর্যায়ে উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ভারত এগোচ্ছে ধীরে ধীরে এই নদীর ওপর সেতু স্থাপনসহ স্থলবন্দর স্থাপনের প্রক্রিয়ায়। কয়েক শ’ ফুট দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে ভারত। সেই ল্েয বিএসএফ ক্যাম্পের বিশেষ নিরাপত্তা পোস্ট বর্ধিতও করেছে ভারত। আগে নদীর ওপারেও ছিল বাংলাদেশের জমি। সেই জমি দখল করে নিয়েছে ভারত। সীমানা এ দিকে ঠেলে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে বাংলাদেশের দিকে। এখন বলছে, নদীর অর্ধেক ভারতের, অর্ধেক বাংলাদেশের। তবুও বর্ডার গার্ড টহল দিচ্ছে না নদীতে।

নদীতীরবর্তী সীমান্ত এলাকায় সরেজমিন গেলে বাংলাদেশ অংশের অলিনগর আমলিঘাটের বৃদ্ধ আলী আহম্মদ মিয়া (৬৫) বলেন, স্বাধীনতার পরও নদীর ওই পাড়ে ঘর ছিল তার। নদী ভেঙে এ দিকে এসেছে, আর তিনিও ওই পারের পর এ দিকে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। এভাবে বাংলাদেশ ভূখণ্ড দখল করছে ভারত। সবচেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশের টাকায় বাস্তবায়ন করা মুহুরী প্রকল্পের সুফল ভারত নিতে চায় জোর করে।

নদীর উৎপত্তিস্থল নিয়ে ভারতের মিথ্যাচার : বহুল আলোচিত ফেনী নদীর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশে। ভারত অযথা নদীটির উৎপত্তিস্থল দাবি করছে। দাবি করা হয়, ফেনী আন্তর্জাতিক নদী। বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী এ নদীর উৎপত্তিস্থল ত্রিপুরা রাজ্যে বলে ভারতের দাবি। তবে এ নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশের মাটিরাঙ্গার ভগবানটিলায়। নদীর ১০৮ কিলোমিটারের কোনো অংশ ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেনি।

সরেজমিন দেখা যায়, মিরসরাইয়ের আমলিঘাট সীমান্ত এলাকায় গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে নদীর পাড়ে ব্লক তৈরি করছে ভারত। এই সীমান্তে পাইপ বসিয়ে ভারতের উপেন্দ্রনগরের জন্য পানি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রামগড়ের অদূরে সাবরুম শহরের পানিসঙ্কট মেটাতে ১৭টি পাইপ বসিয়ে পানি নিচ্ছে ভারত। এ ছাড়া আচালং মৌজায় এক হাজার ৭০০ একর জমি দখল করে রেখেছে ভারত।

এই বিষয়ে মিরসরাই পানি ব্যবস্থাপনা ফোরামের সভাপতি ডা: জামশেদ আলম জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি উপজেলার মধ্যবর্তী ভগবানটিলা নামে একটি পাহাড় থেকেই এ নদীর যাত্রা শুরু। পাহাড়ের ছড়া থেকে উৎপত্তির পরপরই নদীটি বাংলাদেশ সীমান্ত পার হয়ে ভারতের ইজেরা গ্রামে প্রবেশ করে। ইজেরা গ্রাম থেকেই নদীটি ফেনী নদী নামে পরিচিত। দুই দেশের সীমান্ত ঘেঁষে বেশ কিছুটা অগ্রসর হওয়ার পর নদীটি মিরসরাইয়ের আমলিঘাটে করেরহাট ইউনিয়ন দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে ছাগলনাইয়া ও সোনাগাজী উপজেলা ছুয়ে মিলিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে।

এ দিকে ফেনী নাগরিক সমাজ ও মিরসরাই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ফোরাম ফেনী নদীকে ভারতীয় আগ্রাসন থেকে রার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।

–>

Read more: http://feni-news.blogspot.com/2012/11/blog-post.html#ixzz2Bu2E0EIB

এখনও শীর্ষে সাকিব


স্পোর্টস রিপোর্টার
গত বছরের ডিসেম্বরে আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই শীর্ষস্থানটা এখনও ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের এই তারকা ক্রিকেটার। ৪০৪ পয়েন্ট নিয়ে সেরা টেস্ট অলরাউন্ডারের তালিকার শীর্ষে আছেন সাকিব। ৩৮৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস। টেস্টে ৮৫৬ পয়েন্ট নিয়ে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিবনারায়ণ চন্দরপল। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছেন কুমার সাঙ্গাকারা (৮৫০) ও এবি ডি ভিলিয়ার্স (৮২১)। ৭৪৯ পয়েন্ট নিয়ে ১১তম অবস্থানে আছেন এ সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার। বোলিং র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার ডেল স্টেইন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছেন সাইদ আজমল ও জেমস অ্যান্ডারসন। এদিকে ৪৪৭ পয়েন্ট নিয়ে ওয়ানডেতে এখনও সেরা অলরাউন্ডারের স্থান ধরে রেখেছেন সাকিব। ৪৩১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়াটসন। ৩৯৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ।

কোচিং ও প্রাইভেট শিক্ষার ব্যবসা জমজমাট : শিক্ষার্থীরা জিম্মি


কোচিং ও প্রাইভেট শিক্ষার ব্যবসা জমজমাট : শিক্ষার্থীরা জিম্মি

ডেস্ক রিপোর্ট
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বিভিন্ন স্থানে কোচিং ও প্রাইভেট শিক্ষা অব্যাহত রয়েছে। একশ্রেণীর অসাধু শিক্ষক শিক্ষাদানকে বাণিজ্যে পরিণত করেছেন। তারা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জিম্মি করে প্রাইভেট ও কোচিং সেন্টারের ব্যবসা জমজমাট করে তুলেছেন। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করেও প্রয়োজনীয় শিক্ষার সুযোগবঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। বিস্তারিত খবর পাঠিয়েছেন প্রতিনিধিরা :
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জিম্মি করে প্রায় অর্ধশত কোচিং সেন্টারে চলছে Continue reading

কম্পিউটারের গতি বাড়ান


কম্পিউটারের গতি বাড়ান

কম্পিউটারের ধীরগতির কারণে অনেক সময় মেজাজটাই বিগড়ে যায়। বিশেষ করে জরুরি কাজ করার সময় এ সমস্যাটি অনেক বিরক্তির উদ্রেক করে। নিচের টিপসগুলো অনুসরণ করুন। আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়াতে অনেকটাই কাজে দিবে।
১. Recycle bin সব সময় ফাঁকা রাখুন। Recycle bin-এ ফাইল রাখলে কম্পিউটারের গতি হ্রাস পায়।
২. কম্পিউটারে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, কথা বলা ঘড়ি এসব ইনস্টল করবেন না। এগুলো পিসির গতি কমিয়ে দেয়।
৩. মাঝে মাঝে Start হতে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে enter চাপুন। এতে র্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
৪. Start n‡Z Run-এ ক্লিক করে Prefetch লিখে enter চাপুন। যে ফাইলগুলো দেখাবে, সেসব মুছে ফেলুন। কোন ফাইল না মুছলে সেটি বাদ দিয়ে বাকি সব মুছে ফেলুন। একইভাবে পর্যায়ক্রমে temp, %temp%, cookies, recent লিখে enter চাপুন এবং প্রদর্শিত ফাইলগুলো মুছে ফেলুন।
৫. Desktop এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties এ গিয়ে ডান পাশ থেকে Settings-এ ক্লিক করে ১৬ বিট নির্বাচন করে enter চাপুন।
৬. Start হতে Run-এ ক্লিক করে msconfig লিখে enter চাপুন। এখন ডান পাশের Services-এ ক্লিক করুন। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলোর বাঁ পাশ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ড়শ করুন। Restart দিতে বললে Restart দিন।
৭. এবার My Computer এসি ড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। Disk Cleanup-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। নতুন উইন্ডো এলে বাঁ পাশের সব বক্স টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। এভাবে প্রতিটি ড্র্রাইভ ক্লিন করতে পারেন।
৮. My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Settings-এ ক্লিক করুন। এবার Customs সিলেক্ট করে একদম নিচের বক্সটির টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ড়শ করুন।
৯. এবার My Computer থেকে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Wvbcv‡k Error Reporting-এ ক্লিক করুন। এরপর Disable সিলেক্ট করে ok করুন।

 

Great man feni


ফেনী যেহেতু আমার নির্বাচনী এলাকা তাই সরকার বৈষম্য মুলক আচরন করছে- খালেদা জিয়া।


ফেনী যেহেতু আমার নির্বাচনী এলাকা তাই সরকার বৈষম্য মুলক আচরন করছে- খালেদা জিয়া।

(২ জুলাই ২০১২):: সরকার এই এলাকায় তাদের দায়িত্ব পালন করছেনা ফেনী যেহেতু আমার নির্বাচনী এলাকায় তাই তারা বন্যা দুর্গত এলাকার ক্ষতিগস্থ দের জন্য কোন বরাদ্ব দেয়নি। আপনারা শুনেছেন তারা খুব অল্প পরিমান ত্রান বরাদ্ব দিয়েছে। পযাপ্ত ত্রান সামগ্রী বিতরন করেনি। সরকার বৈষম্য মুলক আচরন করছে। সরকার ঠিক ভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে নাই। আমরা যখন সরকারে ছিলাম তখন সারা দেশে সমান ভাবে উন্নয়ন মুলক কাজ করেছিলাম । দেশের সব বড় বড় ব্রিজ কালভাট আমরাই নির্মান করেছিলাম। গতকাল রোববার দুপুরে প্রথমে ফুলগাজী পরে পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলায় পৃথক পৃথক পথ সভায় বেগম খালেদা জিয়া বক্তব্য রাখেন। বেগম খালেদা জিয়া বলেন সরকারের দলীয় নেতারা নিয়ম নীতি না মেনে বিনা টেন্ডারে কাজ নিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করছেন। আমি খবর নিয়েছি এখানে বিদ্যুত থাকেনা শুধু এখানে নয় দেশের সব জায়গায় বিদ্যুতের কি বেহাল দশা তা আপনারা দেখেছেন। দেশের মানুষ এখন কষ্টে আছে দিনে একবেলা খেয়ে কোন রকম দিন কাটাচ্ছে। খালেদা জিয়া বলেন আওয়ামীলীগ সরকার কোন ওয়াদা রাখেনি তারা শুধু লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করে ক্ষমতায় এসেছে তারা এসে দুনীর্তি লুটপাঠ করে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগ সরকার কথায় কথায় বলে বিএনপি সরকার দুনীতি করেছে। বিএনপি কোন দুনীতি করেনি। বিএনপি শুধু উন্নয়ন করেছে। বিএনপির উন্নয়নের হিংসায় আওয়ামীলীগ ফখরুদ্দিন মঈন উদ্দিন কে ডেকে এনে সামরিক সরকার কায়েম করেছিল। আওয়ামীলীগ ফখরুদ্দিন মঈন উদ্দিনকে বলেছিল তাদের আন্দোলনের ফসল। সেটা কোন তত্বাবধায়ক সরকার ছিলনা সেটা ছিল অসাংবিধানিক অবৈধ এবং অগনতান্ত্রিক সরকার।সেটা ছিল জরুরীআইন সরকার। তারা তখন দেশে জরুরী আইন চালু করেছিল। মঈন উদ্দিনের আমলে যত কাজ হয়েছে সব কাজ অবৈধ। আমাদের বিরোদ্বে তারা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে অথছ আওয়ামীলীগের যত মামলা ছিল তারা পত্যাহার করে নিয়েছে। অবৈধ সরকারকে বৈধতা দিয়েছে আওয়ামীলীগ। যত অবৈধ সরকার আছে সৈরশাসক এরশাদকেও বৈধতা দিয়েছে আওয়ামীলীগ সরকার। আওয়ামীলীগ গনতন্তের সরকার নয় আওয়ামীলীগ হল গনতন্ত্র হত্যা কারী সরকার ও লুটপাট কারী সরকার। খালেদা জিয়া বলেন আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে পার্লামেন্ট ভেঙ্গে না দিলে কঠোর আন্দোলন করা হবে। পরশুরাম উপজেলা বিএনপি সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবের সভাপতিত্বে পথ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর , ফেনী ২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন, ফেনী -৩ আসনের সংসদ সদস্য ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোশারফ হোসেন, সংষদ সদস্য বরকত উল্যাহ ভুলু,কেন্দ্রী মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক শিরিন সুলতানা, আবদুল আওয়াল মিন্টু, মহিলা সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু। পথ সভায় পথ সভার পরিচালনা করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র আবু তালেব। আরো বক্তব্য রাখেন ফেনী জেলা যুবদলের সভাপতি গাজী মানিক সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। মেজবাহ উদ্দিন, পথ সভা শেষে বেগম খালেদা জিয়া নিজ হাতে বন্যায় ক্ষতিগস্থদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরন করেছেন। উপজেলা বিএনপি সুত্রে জানা গেছে পরশুরাম উপজেলায় ৩০ জনকে ১০ হাজার টাকা করে, এছাড়াও ৫ শ লুঙ্গি, ৫শ শাড়ী, ৫ কেজি করে দুইশ পরিবারকে চাউল বিতরন করেছে।

বিশ্বের ৫০ প্রভাবশালীর তালিকায় ফেনীর মেয়ে সুমাইয়া


২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১২) বিশ্বের ৫০ প্রভাবশালী উদ্যোক্তার তালিকাভুক্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে বড় হওয়া ফেনীর মেয়ে সুমাইয়া কাজী। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং ক্লাউট প্রকাশিত ওয়েবসাইটে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০ উদ্যোক্তার নামের তালিকায় সুমাইয়া কাজীর স্থান ১৬ নম্বরে। পুরো নাম সুমাইয়া আন্দালিব কাজী। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর কাজী গোলাম নিজামউদ্দিন, মা মেরিনা নিজাম এবং ভাই-বোনদের সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো বে-এলাকায় বসবাস করেন। সুমাইয়া কাজীর পৈত্রিক বাড়ি ফেনী জেলার মাথিয়ারা গ্রামে। তার দাদা মরহুম কাজী আলী নোয়াজ এবং নানা মরহুম চৌধুরী এ বি মজিদ। সুমাইয়া কাজী যুক্তরাষ্ট্রে লেখাপড়ার ফাঁকে সমাজসেবায় মনোনিবেশ করেন। তিনি সানমাইক্রোসিস্টেমে মার্কেটিং ম্যানেজারের কাজ নেন। পাশাপাশি ২০০৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘কালচারাল কানেক্ট ডট কম’ (টিসিসিসি) নামে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান। এতে তিনি সপ্তাহে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ ঘণ্টা করে শ্রম দিয়ে আসছেন। ৩৫ বছরের কম বয়সী কর্মোদ্দীপক যুবক-যুবতীদের নিজস্ব সংস্কৃতির অবগাহনে উজ্জীবিত করতে টিসিসিসি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে সুমাইয়া কাজীর প্রতিষ্ঠান টিসিসিসি থেকে প্রকাশিত হচ্ছে পাঁচটি সাপ্তাহিক ই-ম্যাগজিন। ম্যাগাজিনগুলো হচ্ছে, ১. দ্যা দেশি কানেক্ট, ২. দ্যা মিডলইস্ট কানেক্ট, ৩. দ্যা এশিয়া কানেক্ট, ৪. দ্যা ল্যাটিন কানেক্ট, ৫. দ্যা আফ্রিকান কানেক্ট। বিশ্বের শতাধিক দেশে এসব ম্যাগাজিনের গ্রাহক সংখ্যা ৫০ হাজারের বেশী। ২০০৫ সালে মাত্র তিন জন স্টাফ নিয়ে যাত্রা করা এসব ম্যাগাজিনে বর্তমানে ৫০ জন কাজ করছেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বিরকেলি থেকে মার্কেটিং এবং স্ট্যাটেজিক প্লানিংয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারী সুমাইয়া কাজী বলেন, ম্যাগাজিনগুলো দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ায় বর্তমানে দু’টি দেশের আট অঙ্গরাজ্যের ১৮ শহরে এর অফিস করতে হয়েছে। এখানে আমরা সবাই একটি টিমওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করছি। ২০০৬ সালে বিজনেস উইক ম্যাগাজিন কর্তৃক আমেরিকায় অনুর্ধ ২৫ বছর বয়েসী সেরা উদ্যোক্তার তালিকায় স্থান পান সুমাইয়া কাজী। ওই বছর সেই ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিশ্বের সেরা ৭৫ জন মহিলা উদ্যোক্তার একজন নির্বাচন হন সুমাইয়া। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি রয়টার্স এবং ক্লাউট প্রকাশ করেছে ওয়েবসাইটে বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী ৫০ কর্মকর্তা উদ্যোক্তার তালিকা, সেখানে ১৬ নম্বরে রয়েছেন সুমাইয়া কাজী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূস তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত প্রবাসীদের খুবই উৎফুল্ল করেছে এ খবর। তার ছবি সম্বলিত সংবাদ বিভিন্ন মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হচ্ছে। সুমাইয়ার বাবা ডক্টর কাজী গোলাম নিজাম উদ্দিন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে টেলিফোনে বলেন, সুমাইয়ার এই অগ্রযাত্রায় আমরা অত্যন্ত গর্বিত। তিনি ফেনীসহ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কাছে সুমাইয়ার জন্য দোয়া চেয়েছেন। আমেরিকা-বাংলাদেশ-কানাডা কনভেনশন (এবিসি কনভেনশন) কমিটির পক্ষ থেকে জুন মাসের শেষ সপ্তাহে সুমাইয়া কাজীকে বিশেষ সম্মান জানানো হবে। এদিকে, সুমাইয়া কাজীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার বড় চাচা প্রবীণ কর আইনজীবী কাজী গোলাম মাইন উদ্দিন বলেন, সুমাইয়া কাজীর এই কৃতিত্ব অর্জনে তার পরিবারের লোকজন খুবই আনন্দিত এবং ফেনীবাসীও পুলকিত।

Read more